০১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পানিশূন্যতা দূর করতে পানির সঙ্গে যা মেশাবেন

আপলোড সময় : ১১-০৬-২০২৬
পানিশূন্যতা দূর করতে পানির সঙ্গে যা মেশাবেন লেবু পানি


লাইফস্টাইল ডেস্ক : গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানিশূন্যতার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। অথচ অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। পানিশূন্যতার কারণে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, দুর্বলতা এবং কর্মক্ষমতা হ্রাসের মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরকে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি হলেও প্রচণ্ড গরমে শুধু পানি অনেক সময় যথেষ্ট নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পানির সঙ্গে কিছু সহজলভ্য উপাদান মিশিয়ে পান করলে স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনি শরীরও দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড থাকে।

লেবু

পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি বেশি পানি পান করতে উৎসাহিত করে। লেবুতে থাকা পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইলেক্ট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় সাধারণ পানির তুলনায় শরীরে পানি ধরে রাখতে বেশি কার্যকর।

পুদিনা পাতা

গরমের সময়ে পুদিনা পাতা মিশ্রিত পানি বেশ উপকারী। এটি শরীরে শীতল অনুভূতি এনে দেয় এবং পানিকে আরও সতেজ করে তোলে। যদিও পুদিনা সরাসরি ইলেক্ট্রোলাইট সরবরাহ করে না, তবে এর সুগন্ধ ও স্বাদ পর্যাপ্ত পানি পান করতে সহায়তা করে।

চিয়া সিড

চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা জেলের মতো আবরণ তৈরি করে, যা শরীরে পানি শোষণের গতি ধীর করে। ফলে দীর্ঘ সময় শরীর আর্দ্র থাকে। এক গ্লাস পানি বা লেবুর শরবতে এক চা চামচ ভেজানো চিয়া সিড যোগ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হাইড্রেশনে সহায়ক হতে পারে।

এক চিমটি লবণ

পানিতে অল্প পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করলে শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। লবণে থাকা সোডিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট, যা ঘামের মাধ্যমে হারানো পানি ও খনিজের ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখে। এ কারণেই ওরস্যালাইন বা ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশনেও লবণ ব্যবহার করা হয়।

শসা

শসায় প্রায় ৯৫ শতাংশ পানি থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পানিতে শসার টুকরা মিশিয়ে পান করলে তা শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং পানির স্বাদও বাড়িয়ে তোলে। ফলে সহজেই বেশি পানি পান করা সম্ভব হয়।

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে নিয়মিত পানি পান করার পাশাপাশি এসব প্রাকৃতিক উপাদান পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ